শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন

Headline :
শায়েস্তাবাদ খেয়া ঘাটে সিন্ডিকেটের কবলে যাত্রীরা শহীদ দিবসে বাংলাকে বিচার বিভাগের দাপ্তরিক ভাষা করার দাবি মুক্তিজোটের জামাত ইসলামের আয়োজনে সাহরী ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইসিতে ১১ নারী সংগঠনের স্মারকলিপি নিরাপদ চিকিৎসা ও পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের আত্মপ্রকাশ ঢাকা-৩ আসনে ধানের শীষের পক্ষে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের প্রচার-প্রচারণা মির্জাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ আওয়ামী লীগের দোসর বজলু রশিদ সরদারের বিরুদ্ধে বাজারের ঘর দখলের অভিযোগ  বরিশাল বিভাগীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হলেন মো. মুনির উজ্জামান শিমু মির্জাপুরের গোড়াই ইউনিয়নে ধানের শীষের পক্ষে বিএনপির গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরন

কেরানীগঞ্জে মা–মেয়ে খুনের ভয়াবহ কাহিনি

Reporter Name / ৩২৭ Time View
Update Time : শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
Oplus_131072

 

কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি:

ঢাকার কেরানীগঞ্জে ঋণসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক শিক্ষিকা ও তার বোনের হাতে মা ও মেয়েকে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। হত্যার পর প্রায় ২১ দিন ধরে ওই দুই লাশ নিজ ফ্ল্যাটে লুকিয়ে রেখে পরিবারের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই বসবাস করছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের মুক্তিরবাগ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে স্কুলছাত্রী জোবাইদা রহমান ফাতেমা (১৪) ও তার মা রোকেয়া রহমান (৩২)-এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা শিক্ষিকা নুসরাত মীম (২৪), তার স্বামী হুমায়ুন মিয়া (২৮) এবং মীমের দুই কিশোরী বোনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে নুসরাত ও তার ১৫ বছর বয়সী বোন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম জানান, নুসরাত মীম একটি এনজিও থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা ঋণ নেন। ওই ঋণের জামিনদার ছিলেন তার শিক্ষার্থী ফাতেমার মা রোকেয়া রহমান। নির্ধারিত সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পারায় বিষয়টি নিয়ে দুজনের মধ্যে একাধিকবার বিরোধ হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, ২৫ ডিসেম্বর বিকেলে ফাতেমা প্রাইভেট পড়তে নুসরাতের বাসায় গেলে নুসরাতের ছোট বোনের সঙ্গে তার বাক্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ওই কিশোরী ফাতেমার গলা চেপে ধরে হত্যা করে। পরে ঘটনাটি আড়াল করতে ফাতেমার পোশাক পরে বাসা থেকে বের হয় সে, যাতে সিসিটিভি ফুটেজে মনে হয় ফাতেমা নিজেই চলে গেছে।

এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর ফাতেমার মাকে ফোন করে মেয়ের অসুস্থতার কথা জানায় নুসরাত। মেয়েকে নিতে বাসায় এলে পেছন থেকে ওড়না পেঁচিয়ে রোকেয়ার গলা চেপে ধরেন তিনি। পরে দুই বোন মিলে শ্বাসরোধে রোকেয়াকে হত্যা করা হয়।

হত্যার পর ফাতেমার লাশ শৌচাগারের ফলস সিলিংয়ের ভেতরে এবং রোকেয়ার লাশ শোবার ঘরের বক্স খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। এরপর প্রায় ২১ দিন ধরে ওই ফ্ল্যাটেই বসবাস করে অভিযুক্তরা।

ওসি সাইফুল আলম আরও জানান, নুসরাতকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার নাবালিকা বোনকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *