শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন

Headline :
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় পেলেন দিনাজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জাল হোসেন রামেবি এর ৮ হাজার গাছ কাগজে থাকলেও বাস্তবে উধাও এর অভিযোগ  বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু রাজধানীর চকবাজারে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, পলিথিন কারখানাকে জরিমানা সৌদিতে এক সপ্তাহে ১৫ হাজার ৫৯১ আইন লঙ্ঘনকারী গ্রেপ্তার পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক সাঁথিয়ায় কাজীপুর গ্রামে দুই রাতে তিন বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি কোতোয়ালীতে মিছিলে হামলার অভিযোগ, আহত যুবদল নেতা হাজী পারভেজ আলম দিনাজপুরে জোড়া লাশ উদ্ধার ও ধর্ষণ মামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন পশ্চিম বাংলা সরকারের জনকল্যাণ কর্মসূচি 

শ্যামপুরে সোহাগ গাজীর অনুমোদনহীন কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশু খাদ্য উৎপাদন

Reporter Name / ৫৯৫ Time View
Update Time : শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন

 

ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি:

ঢাকার শ্যামপুর থানার আসসিন গেট এলাকায় সোহাগ গাজীর পপুলার চকলেট মালিকানাধীন একটি অনুমোদনহীন কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুদের জন্য খাবার তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কারখানাটির নেই কোনো বিএসটিআই অনুমোদন, নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। এতে শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

সূত্র জানায়, কারখানায় ‘চকলে’, ‘কোন’, ‘টফি’সহ বিভিন্ন ধরনের শিশুখাদ্য তৈরি হচ্ছে এমন পরিবেশে, যেখানে নেই ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি। ঘামে ভেজা শ্রমিকদের খালি হাতে খাবার তৈরি, নোংরা পানির ব্যবহার এবং খোলা অবস্থায় মেঝেতে রাখা খাদ্য
সবকিছুই শিশুদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির সৃষ্টি করছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “সোহাগ গাজীর এই কারখানাটি দিনের বেলায় আংশিক বন্ধ থাকলেও রাতে পুরো দমে চালু থাকে। চারপাশে দুর্গন্ধ, শব্দ ও ধোঁয়ায় আমরা অতিষ্ঠ। এটা শিশুদের জন্য খাবার তৈরি করার জায়গা না।
প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর দাবি অবিলম্বে সোহাগ গাজীর এই অবৈধ কারখানাটি বন্ধ করা হোক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএসটিআই-এর সরেজমিন তদন্ত করা হোক
শিশু খাদ্য উৎপাদনে মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হোক একজন স্থানীয় বলেন যে অবস্থায় এসব খাবার তৈরি হয়, সেটা কেউ নিজ চোখে দেখলে নিজের সন্তানকে এসব খাওয়াতে সাহস পাবে না।

কারখানা মালিকের সাথে এবিষয়ে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি এরিয়ে যান। বিস্তারিত দ্বিতীয় পর্বে আসছে।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *