রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

Headline :
হিজলার কুখ্যাত মাদক কারবারি গ্রেফতার ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা বিএনপির নতুন ওয়েব অ্যাপ, সহজেই মতামত জানাতে পারবে জনগণ মতামত জরিপ: আওয়ামী লীগের ভোটারদের ৪৮ শতাংশ এবার বিএনপিকে ভোট দেবেন নতুন সরকারের প্রথম বাজেটের জন্য ব্যবসায়ীদের মতামত চেয়েছে এনবিআর দক্ষিণ এশিয়ায় সরকারগুলো সংবাদমাধ্যমের কাছে ইতিবাচক প্রচারই চায় ট্রাম্পপন্থী মালিকানায় গিয়ে সিএনএন কি আগের মতো থাকবে শিরিন আবু আকলেহ হত্যার বিচারহীনতাই কি গণমাধ্যমের ওপর বেপরোয়া করে তুলেছে ইসরায়েলকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিস্ফোরক ও হেরোইনসহ ৩ জন গ্রেপ্তার দিনাজপুর বীরগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে দুই যুবকের কারাদণ্ড

দক্ষিণ এশিয়ায় সরকারগুলো সংবাদমাধ্যমের কাছে ইতিবাচক প্রচারই চায়

Reporter Name / ৫ Time View
Update Time : রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত—তিন দেশই বৈশ্বিক সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে পিছিয়ে। আপনার দৃষ্টিতে সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় বাধা এখন কোনটি—রাষ্ট্রীয় চাপ, বাজারের চাপ, নাকি ভয়?
জাফর আব্বাস: সম্ভবত এ তিনটি সমন্বিতভাবে কাজ করে। তবে ভয় সবচেয়ে কম কাজ করে এ ক্ষেত্রে। অনেক সংবাদমাধ্যমের জন্য বাজারের চাপ বড়, আবার অনেকের জন্য সরকারই প্রধান চাপ। ভারত, পাকিস্তান বা বাংলাদেশ—প্রতিটি দেশের সরকারই নিজেদের উন্নয়ন নিয়ে তথাকথিত ইতিবাচক সংবাদ চায়। তারা চায় সংবাদমাধ্যম তাদের দুর্বলতা বা ব্যর্থতা এড়িয়ে যাক। কোনো সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেই সরকার সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম, সম্পাদক বা প্রতিবেদকের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এতে অনেকেই ভীত হয়ে পড়েন। অনেক ক্ষেত্রে আত্মনিয়ন্ত্রণ বা ‘সেলফ সেন্সরশিপ’ শুরু হয়। এ কারণে মূলধারার ঐতিহ্যবাহী সংবাদমাধ্যম বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে অবনতির এটিও একটি কারণ।
ভারত, পাকিস্তান বা বাংলাদেশ—প্রতিটি দেশের সরকারই নিজেদের উন্নয়ন নিয়ে তথাকথিত ইতিবাচক সংবাদ চায়। তারা চায় সংবাদমাধ্যম তাদের দুর্বলতা বা ব্যর্থতা এড়িয়ে যাক।
প্রথম আলো: পাকিস্তানে সাংবাদিকতা নানা ধরনের চাপের মুখে থাকে। সাম্প্রতিক কোনো অভিজ্ঞতার উদাহরণ দেবেন?
ডনের সম্পাদক জাফর আব্বাস। ‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’ যোগ দিতে তিনি ঢাকায় আসেন। ৮ মে
ডনের সম্পাদক জাফর আব্বাস। ‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’ যোগ দিতে তিনি ঢাকায় আসেন। ৮ মেছবি: প্রথম আলো
জাফর আব্বাস: আমি সহজে চাপের কাছে নতি স্বীকার করি না। তবে অনেক সংবাদমাধ্যম আছে, যারা চাপের কাছে হার মেনেছে এবং সরকারি চাওয়া অনুযায়ী সাংবাদিকতা করছে। একসময় সরকারি মহল থেকে ফোন আসত। কোনো সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ বা নির্দেশ দেওয়া হতো। এখন তারা আমার ক্ষেত্রে সেটা ছেড়ে দিয়েছে। কারণ, আমি এসব ফোন ধরি না। কিন্তু আমি জানি, অন্য সংবাদমাধ্যমগুলো কীভাবে নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবস্থাপনার মধ্যে রাখা হয়।
কেউ কেউ সরকারি অবস্থান অনুসরণ করায় পুরস্কৃতও হয়। দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই বাস্তবতা। সম্পাদক ও সাংবাদিক ইউনিয়নগুলো ঐক্যবদ্ধ না হলে সরকারগুলো চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের পক্ষে সংবাদ প্রকাশ করানোর চেষ্টা চালিয়েই যাবে এবং সমালোচনা ঠেকাতে চাইবে। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি এভাবেই কাজ করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *