মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন

কেরাণীগঞ্জে অপহরণপূর্বক চাঁদাবাজি মামলার ৪ আসামি গ্রেফতার

Reporter Name / ৮৩ Time View
Update Time : মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন

হৃদয় ইসলাম :

রাজধানীর দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে অপহরণপূর্বক চাঁদাবাজি মামলার চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১০)। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, একটি পিস্তলসদৃশ বস্তু, ১২৭টি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
র‌্যাব-১০ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার (১৪ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার শুভাঢ্যা পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার চার আসামিকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. সিয়াম (২৩), মো. রাব্বি হাসান (২৬), মো. সোহাগ (৩০) এবং মো. রাসেল ওরফে নাছির (২৬)। তারা সবাই দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের শুভাঢ্যা পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. জসিম উদ্দিন (৩৫) বাসায় ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে শুভাঢ্যা পশ্চিমপাড়ার একটি টিনশেড ঘরে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
ভুক্তভোগী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করে তার কাছে থাকা ৪৫ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে রাখা হয়। জ্ঞান ফিরে এলে আবারও চাঁদার টাকা দাবি করা হলে তিনি বিকাশের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে ১২ জুলাই পেনাল কোডের ৩৬৫, ৩৮৫, ৩৮৬, ৩২৮, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়।
অভিযানের সময় গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র, একটি পিস্তলসদৃশ বস্তু, বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ইস্যুকৃত ১২৭টি জাতীয় পরিচয়পত্র, সাতটি মোবাইল ফোন, একটি ওজন পরিমাপক যন্ত্র, একটি হুক্কা, একটি ব্যাংক চেকবই এবং কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
র‌্যাব-১০ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র‌্যাব আরও জানায়, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, অপহরণ, হত্যা, প্রতারণাসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে তাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তারা সর্বদা তৎপর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *