শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

Headline :
নয়াপল্টনে জিসপের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক পালন না করার অভিযোগ জিয়াউর রহমানের মাজারে জিসপ নেতাকর্মীদের শ্রদ্ধা ও দোয়া বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ঢাকা সদরঘাটে ব্যতিক্রমধর্মী নাস্তা বিতরণ কর্মসূচি ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির ১৫তম চাঁপাই উৎসব  কলমাকান্দায় ইউপি সদস্যের ওপর হামলার অভিযোগ হাদীর মৃত্যু ও সাম্প্রতিক সহিংসতায় গভীর উদ্বেগ মুক্তিজোটের ওএমএস অনিয়মের প্রতিবাদ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা জুলাই বিপ্লব উদযাপন বক্সিং প্রতিযোগিতা কাল

শ্যামপুরে সোহাগ গাজীর অনুমোদনহীন কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশু খাদ্য উৎপাদন

Reporter Name / ২৩৮ Time View
Update Time : শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

 

ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি:

ঢাকার শ্যামপুর থানার আসসিন গেট এলাকায় সোহাগ গাজীর পপুলার চকলেট মালিকানাধীন একটি অনুমোদনহীন কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুদের জন্য খাবার তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কারখানাটির নেই কোনো বিএসটিআই অনুমোদন, নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। এতে শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

সূত্র জানায়, কারখানায় ‘চকলে’, ‘কোন’, ‘টফি’সহ বিভিন্ন ধরনের শিশুখাদ্য তৈরি হচ্ছে এমন পরিবেশে, যেখানে নেই ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি। ঘামে ভেজা শ্রমিকদের খালি হাতে খাবার তৈরি, নোংরা পানির ব্যবহার এবং খোলা অবস্থায় মেঝেতে রাখা খাদ্য
সবকিছুই শিশুদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির সৃষ্টি করছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “সোহাগ গাজীর এই কারখানাটি দিনের বেলায় আংশিক বন্ধ থাকলেও রাতে পুরো দমে চালু থাকে। চারপাশে দুর্গন্ধ, শব্দ ও ধোঁয়ায় আমরা অতিষ্ঠ। এটা শিশুদের জন্য খাবার তৈরি করার জায়গা না।
প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর দাবি অবিলম্বে সোহাগ গাজীর এই অবৈধ কারখানাটি বন্ধ করা হোক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএসটিআই-এর সরেজমিন তদন্ত করা হোক
শিশু খাদ্য উৎপাদনে মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হোক একজন স্থানীয় বলেন যে অবস্থায় এসব খাবার তৈরি হয়, সেটা কেউ নিজ চোখে দেখলে নিজের সন্তানকে এসব খাওয়াতে সাহস পাবে না।

কারখানা মালিকের সাথে এবিষয়ে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি এরিয়ে যান। বিস্তারিত দ্বিতীয় পর্বে আসছে।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *