বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন

Headline :
শ্যামপুরে ওএমএস চাল পাচারের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ভূরুঙ্গামারীতে গ্রেনেড সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার জ্বালানি সংকটে অফিস সময় কমল,সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ হবে দোকানপাট ঈদ যাত্রায় ভয়াবহ দুর্ভোগ- মন্ত্রণালয়ের জবাবদিহিতার দাবি মুক্তিজোটের ভালুকায় সাংবাদিক বাদশার উপর হামলা লঞ্চের কেবিনে কলেজছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার দুই ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্যের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান শিমু শায়েস্তাবাদ খেয়া ঘাটে সিন্ডিকেটের কবলে যাত্রীরা শহীদ দিবসে বাংলাকে বিচার বিভাগের দাপ্তরিক ভাষা করার দাবি মুক্তিজোটের

শ্যামপুরে সোহাগ গাজীর অনুমোদনহীন কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশু খাদ্য উৎপাদন

Reporter Name / ৪৪৬ Time View
Update Time : বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন

 

ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি:

ঢাকার শ্যামপুর থানার আসসিন গেট এলাকায় সোহাগ গাজীর পপুলার চকলেট মালিকানাধীন একটি অনুমোদনহীন কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুদের জন্য খাবার তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কারখানাটির নেই কোনো বিএসটিআই অনুমোদন, নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। এতে শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

সূত্র জানায়, কারখানায় ‘চকলে’, ‘কোন’, ‘টফি’সহ বিভিন্ন ধরনের শিশুখাদ্য তৈরি হচ্ছে এমন পরিবেশে, যেখানে নেই ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি। ঘামে ভেজা শ্রমিকদের খালি হাতে খাবার তৈরি, নোংরা পানির ব্যবহার এবং খোলা অবস্থায় মেঝেতে রাখা খাদ্য
সবকিছুই শিশুদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির সৃষ্টি করছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “সোহাগ গাজীর এই কারখানাটি দিনের বেলায় আংশিক বন্ধ থাকলেও রাতে পুরো দমে চালু থাকে। চারপাশে দুর্গন্ধ, শব্দ ও ধোঁয়ায় আমরা অতিষ্ঠ। এটা শিশুদের জন্য খাবার তৈরি করার জায়গা না।
প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর দাবি অবিলম্বে সোহাগ গাজীর এই অবৈধ কারখানাটি বন্ধ করা হোক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএসটিআই-এর সরেজমিন তদন্ত করা হোক
শিশু খাদ্য উৎপাদনে মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হোক একজন স্থানীয় বলেন যে অবস্থায় এসব খাবার তৈরি হয়, সেটা কেউ নিজ চোখে দেখলে নিজের সন্তানকে এসব খাওয়াতে সাহস পাবে না।

কারখানা মালিকের সাথে এবিষয়ে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি এরিয়ে যান। বিস্তারিত দ্বিতীয় পর্বে আসছে।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *