
হৃদয় ইসলাম :
রাজধানীর সূত্রাপুর ও গেন্ডারিয়া এলাকায় অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। ব্যত্যয়কৃত অংশ অপসারণের পর আবারও নির্মাণকাজ শুরু করায় কয়েকটি ভবনে পুনরায় অভিযান চালানো হয়।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজউকের জোন-৭/১-এর আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ৮টি নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন, ১২টি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ এবং একটি ভবনের মালিককে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি কয়েকটি ভবনের অনুমোদনবহির্ভূত অংশ আংশিক অপসারণ করা হয়েছে।

Oplus_131072
রাজউকের তথ্যমতে, সূত্রাপুরের মালাকারটোলা এলাকার একটি সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে এর আগে অভিযান চালিয়ে মিটার জব্দ ও ব্যত্যয়কৃত অংশ অপসারণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেখানে পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর মঙ্গলবার ভবনটিতে আবার অভিযান চালানো হয়। এ সময় মিটার জব্দের পাশাপাশি ব্যত্যয়কৃত অংশের কিছু অংশ অপসারণ করা হয়।
গেন্ডারিয়ার সতীশ সরকার রোডের আরেকটি নির্মাণাধীন ভবনেও একই ধরনের অভিযোগে অভিযান চালানো হয়। রাজউকের নথি অনুযায়ী, এর আগে ওই ভবন মালিককে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। মঙ্গলবারের অভিযানে ভবনটির দুটি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয় এবং ব্যত্যয়কৃত অংশ আংশিক অপসারণ করা হয়।
এদিকে এস কে দাস রোড, কে বি রোড ও মালাকারটোলা এলাকার আরও কয়েকটি নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন ভবন থেকে মিটার জব্দের পাশাপাশি অনুমোদনবহির্ভূত অংশ আংশিকভাবে অপসারণ করা হয়েছে।
অভিযানের সময় ৪৫ এস কে দাস রোডের একটি ১০ তলা নির্মাণাধীন ভবন থেকে একটি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয়। একই ভবনের সম্মুখভাগের ব্যত্যয়কৃত অংশ অপসারণ করা হয় এবং ভবন মালিককে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
রাজউকের নথি অনুযায়ী, পুরো অভিযানে মোট ১২টি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা মিটারগুলো ডিপিডিসির প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অভিযানটি রাজউকের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. লিটন সরকার এবং জোন-৭/১-এর অথরাইজড অফিসার মো. ইলিয়াসের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। এ সময় রাজউকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।