মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন

Headline :
ওয়ারীতে নকল বৈদ্যুতিক তার তৈরির কারখানায় র‍্যাবের অভিযান কেরানীগঞ্জে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে মাদকসহ ৪ জন গ্রেপ্তার কুমিল্লায় পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা ও ৮ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার,গ্রেপ্তার ৩ বীরগঞ্জে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার,মৃত্যু নিয়ে রহস্য দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ১ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সদরঘাটে নারীকে ব্যবহার করে মাদক বেচাকেনার অভিযোগ,মিরাজকে ঘিরে চাঞ্চল্য ঢাকা টাওয়ারে রাজউকের অভিযানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা ভাসানচর-বিদ্যানন্দপুর কল্যাণ পরিষদের কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

পর্যাপ্ত খেজুর গাছ না থাকায় গাছিরা পরিবর্তন করেছে পেশা

Reporter Name / ৩৩০ Time View
Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন

 

আমিরুল ইসলাম কবির, স্টাফ রিপোর্টারঃ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে প্রায় পুরোপুরিই হারিয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ও খেজুরের রস। শীত মৌসুম এলেই এক সময়ে গ্রাম-বাংলার প্রতি ঘরে ঘরে খেজুরের রস দিয়ে ফিরনি,পায়েস, খেজুর রসের গুড় দিয়ে ভাঁপা পিঁঠা এবং গাড় রস দিয়ে তৈরী করা মুড়ির মোয়া,চিড়া,খই ও চিতই পিঠাসহ হরেক রকম পিঠাপুলির মহোৎসব চলতো। কিন্তু আগের মতো আর গ্রামে বাড়ি বাড়ি কিংবা গ্রামের রাস্তা ঘাটের দু’পাশে সারি সারি খেজুর গাছ দেখা মেলা ভার। গ্রামের রাস্তাগুলো সংস্কার ও নতুন করে খেজুর গাছ রোপনে মানুষের আগ্রহের অভাবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ও খেজুরের রস ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। তবে এখনও রাস্তার আশেপাশে কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে নামমাত্র কিছু সংখ্যক খেজুর গাছ। আর রস আহরণে এখনো গ্রাম্য রীতিতেই ঝুঁকি নিয়েই কোমরে রশি বেঁধে শীতের বিকালে ছোট-বড় মাটির হাঁড়ি গাছে বেঁধে রেখে পরের দিন সকালে তা নামিয়ে রস সংগ্রহ করেন গাছিরা। আগে তারা এই কাঁচা রস এলাকার বিভিন্ন স্থানে ও হাট-বাজারে পাড়া মহল্লায় বিক্রি করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতো। আবার কেউ কেউ সকালে রস জ্বাল দিয়ে গুড়-মিঠাই তৈরি করতো। প্রতিবছর এই মৌসুমে অযত্নে-অবহেলায় পথে প্রান্তরেও পরে থাকা খেজুর গাছের রস ও গুড় বিক্রি করে বাড়তি টাকা উপার্জন করতো তারা।
কিন্তু বর্তমানে পর্যাপ্ত খেজুরের গাছ না থাকায় গাছিরাও তাদের এই পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।

বর্তমানে খেজুরের গাছ বিলুপ্তীর দ্বার প্রান্তে চলে যাওয়ায় উপজেলা কৃষি দপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এবং আমাদের সকল নাগরিকদেরকে বাড়ির আসেপাশে খেজুর গাছ রোপণ করা এখন সময়ের দাবি। এতে করে আগামী প্রজন্মও ফিরে পাবে ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ ও খেজুরের রস।।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *