সৌদি প্রবাসীকে হত্যা করে ৮ টুকরা,প্রেমিকা হাসনা গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার :
রাজধানীর মুগদায় সৌদি প্রবাসী মোকাররম মিয়া হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী ও প্রধান পলাতক আসামি তাসলিমা বেগম ওরফে হাসনাকে (৩১) গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণও জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (২০ মে) সকালে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার জয় নগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাসনাকে আটক করে মুগদা থানা পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা। তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত মোকাররম মিয়া (৩৮) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। গত ১৩ মে দেশে ফিরে গ্রামের বাড়িতে না গিয়ে পূর্বপরিচিত তাসলিমা ওরফে হাসনার সঙ্গে দেখা করতে রাজধানীর মুগদার মান্ডা এলাকায় যান। সেখানে হাসনার বড় বোন হেলেনা বেগমের ভাড়া বাসায় অবস্থান করেন তিনি।
এরপর ১৭ মে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে মুগদা থানা পুলিশ মান্ডা ১ম গলির একটি ভবনের নিচে আবর্জনার স্তূপ থেকে কয়েকটি পলিথিনে মোড়ানো খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটির মাথা ও একটি হাত বিচ্ছিন্ন ছিল। পরে পিবিআইয়ের সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, মোকাররমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাসলিমার পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। সম্পর্কের সুবাদে বিভিন্ন সময়ে মোকাররমের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছিলেন তাসলিমা। সম্প্রতি দেশে ফিরে ওই টাকা ফেরত চান মোকাররম এবং তাসলিমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে তীব্র বিরোধ তৈরি হয়।
ডিএমপি জানায়, বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে মোকাররমকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ টুকরো টুকরো করে পলিথিনে ভরে ফেলে দেওয়া হয়, যাতে পরিচয় শনাক্ত করা না যায়।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রকাশক ও সম্পাদক, এস এম হৃদয় ইসলাম, নির্বাহী সম্পাদক, মো: আবদুল আলীম, আইন উপদেষ্টা, এডভোকেট মো: ফয়জুল করিম,
ঠিকানা,:১০/২ গাউসিয়া কাশেম সেন্টার (৯ম তলা) আরামবাগ মতিঝিল বা/এ ঢাকা১০০০।
মোবাইল: ০১৭১৮--৪৬১২৪৭
© All rights reserved © 2026 71 bangla barta