বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন

Headline :
মির্জাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ আওয়ামী লীগের দোসর বজলু রশিদ সরদারের বিরুদ্ধে বাজারের ঘর দখলের অভিযোগ  বরিশাল বিভাগীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হলেন মো. মুনির উজ্জামান শিমু মির্জাপুরের গোড়াই ইউনিয়নে ধানের শীষের পক্ষে বিএনপির গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরন দেশপ্রেমের আড়ালে বিদেশি শক্তির সঙ্গে গোপন যোগাযোগের অভিযোগ চরমোনাই পীরের ক্ষমতার লোভে গাদ্দারি, ইসলামি আন্দোলনের সাথে আমির মুফতি রেজাউল করিম  বারুইপুর জেলা পুলিশ১১৪, টি মুঠো ফোন উদ্ধার করে  মিরপুরে প্রশাসনের যোগসাজশে রাতের আধারে ফসলী জমির মাটি বিক্রি অভিযোগ  ডেমরায় র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদের আত্মপ্রকাশ

মিরপুরে প্রশাসনের যোগসাজশে রাতের আধারে ফসলী জমির মাটি বিক্রি অভিযোগ 

Reporter Name / ১৭৯ Time View
Update Time : বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়ার মিরপুরে উপজেলা প্রশাসনের যোগসাজশে রাতের আধারে ফসলী জমি নষ্ট করে মাটি পরিবহন করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার চিথলিয়া মাঠের মধ্য থেকে এ মাটি কেটে ফসলী জমি নষ্ট করে ড্রাম ট্রাক ও ট্রলিতে করে মাটি পরিবহন করে বিক্রি করা হচ্ছে।

জানা গেছে, মিরপুরের চিথলিয়া ইটভাটার পাশ দিয়ে মাঠের মধ্য দিয়ে একটি রাস্তা তৈরী করা হয়েছে মাটি পরিবহনের জন্য। চারপাশে তামাকের ক্ষেত। কিছুদূর এগিয়ে যেয়ে এ রাস্তা সরিষার ক্ষেতের পাশ দিয়ে রাস্তা তৈরী করা হয়েছে। এ রাস্তা দিয়ে কিছুদুর এগিয়ে গেলে দেখা যায় একটি পুকুর খনন করা হচ্ছে, যেখানে এস্কেভেটর বসানো আছে। মাটি উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা জানান, রাতের আধারে এখান থেকে মাটি কেটে ড্রাম ট্রাক ও ট্রলিতে করে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। ফসলী জমি নষ্ট করে তৈরী করে হয়েছে রাস্তা। এসব মাটি সারারাত ধরে উত্তোলন করে দৌলতপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। মাটি পরিবহনের জন্য যে রাস্তা তৈরী করা হয়েছে, তাতে ফসলী জমি নষ্ট হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ মিরপুর উপজেলা প্রশাসনের যোগসাজশে এ ধরনের কর্মকান্ড চালাতে সাহস পাচ্ছে মাটি উত্তোলনকারীরা। আবাদী ফসলী নষ্ট হওয়া সংক্রান্তে মিরপুরের চিথলিয়ার মুন্না মোল্লা নামের এক ব্যাক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেও পাচ্ছে না সুরাহা। এ বিষয়ে অভিযুক্ত করম মোল্লা সরেজমিনে যেয়ে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বলেন আমাদের জমিতে আমরা মাটি কাটছি, তাতে সমস্যা কি? কিছু অংশ সরকারি জমির মধ্যে পড়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। রাতের আধারে মাটি কাটার সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: নাজমুল ইসলামকে বেশ কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি কল কেটে দেন। পরে কল ব্যাকও করেননি। ইতিপূর্বে তিনি ব্যাবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও কার্যত কোন ব্যাবস্থা নেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *